বাতাস হঠাৎ ঠান্ডা হয়ে উঠছে। ছায়াটুকু গুছিয়ে রাখছি। বালিশের নিচে। ছবিটা
বাইরেই থাক। ধুলো জমুক। একদিন ফুঁ দেব। ধক করে এক থাবড়া রক্ত বেরিয়ে আসবে।
কেঁপে কেঁপে উঠলে আমি চোখ বুজে বলি। চিঁড়ে আ'সক্রিম। জল আস'ক্রিম।
ডুগডুগি। চরকি।ঝাঁপান।মুকুল এসে পড়ছে বড়ো ভাগনার সদ্য রোমালো বুকে। এখন
বিরাট কোহলি য্যাসা স্ট্রঙ সাইকেল চালায়। গোলদারি দোকানে যায়। অবাক বিস্ময়ে
প্যাডগুলো আড়চোখে দেখে। প্রিয় বান্ধবী। নোটসের খাতা নিতে আসে। ডোরবেল
বাজছে । খুলে যাচ্ছে চাবি হারানো তালা। সময় মতো গঙ্গার পরিশ্রুত
জল ঢুকে পড়ছে গিজারের ভেতর। সর্দি গর্মি হোচ্ছে না। কুঁচকিতে জমা ঘামে
ফোস্কা বা প্রাক্তনির গত চারমাস পিরিয়ড ... হচ্ছে না। আমি দিনক্ষণ দেখে
ফ্যান চালাই। শীত করছে না। বসন্ত করছে। এক্ষেত্রেও ওই দাগটাই ম্যাটার করে।
সে গতবারের দেশলাই বাক্সেয় ভরা শুকনো চামড়াই হোক কি ধাতব লিঙ্গের সম্মুখে
জাঙ্গিয়ায় ঘষটানো দাগ হোক । কিছুতেই কিছু মনে হয় না। হস্তমৈথুনটা করে আসি।
চোখে পোকারা ইচ্ছাকৃতভাবে পড়ছে । তুমি কাঁঠালবীজের গুঁড়ো মধু মিশিয়ে খাও।
নাভির কাছে আরাম পাবে। মেপেল গাছের ভেলভেট আবডাল। ১ । ২ এবং
২৮।ফেব্রু।১৮

Comments
Post a Comment