ঈশ্বরের গলা থেকে স্বর তুলে নিয়ে বসিয়ে দিয়েছে ষড়যন্ত্র। এখানে মাটি নরম , জল উঠে আসে সহজে। একটা বাচ্চা কুয়োপারে বসে আমায় টিটকারি মারছে হাসছে। টুপ করে উল্টো দিকে উল্টে পরে গেল কুয়োর ভেতর হাত ঢোকাতেই ওর শুধু মাথাটুকু ছিঁড়ে এলো হাতে। কপালের সামনের দিকটা অনুচ্ছেদ । আমি মুন্ডুটাকে নকশিকাঁথা দিলে ও আমাকে ওর স্কুলের প্রিয় দিদিমণির জনপদের রাস্তা দেখিয়ে দেবে
দিদিমণি বলেছে , প্রেম করো না । প্রেম করলে প্রেমিক ও খিদের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে হবে। খিদে পেলে দিদিমণির থিয়েটার বড়ো হয়ে যায়, সেখানে প্রেমিক বামনের মতো ঋ
এখান থেকেই আমাদের আড়াআড়িভাবে রাস্তা পেরোতে হবে। আর কতটা রাস্তা এরকম আমরা জানিনা। সামনে পাথর ছুঁড়ছে , সেই পাথরেই রাস্তা। বাচ্চা মেয়েটা দারুন সেজে আমার অনার্কি চেপে ধরেছে । চোখ দুটো খুবলে নিয়ে ভ্রু প্লাক করে দিয়ে গেছে কারা । ফ্রিতে

মূল্যবান লেখা
ReplyDeleteঅসাধারণ লেখা। বারবার পড়ার দাবি রাখে। বাক্যবয়ন ও শব্দ ব্যবহারে নতুনত্ব আছে। কাব্য ভাবনায় গভীরতা লক্ষণীয়।
ReplyDeleteঅত্যন্ত ভালো লেখা।১কথায় এর কারন বলা যায় না।কথা বলবো তোর সাথে।এই ধরনের কাজ, খুব বিপজ্জনক জায়গায় যেতে পারে (গুণমান এবং উৎকর্ষতার দিক থেকে)
ReplyDelete